• About
  • Contact Us
Monday, March 23, 2026
Swastika
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • রাজ্যপাট
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি
  • অতিথি কলম
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • পরম্পরা
  • সঙ্ঘবার্তা
  • বিশেষ নিবন্ধ
  • ই -পত্রিকা
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • রাজ্যপাট
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি
  • অতিথি কলম
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • পরম্পরা
  • সঙ্ঘবার্তা
  • বিশেষ নিবন্ধ
  • ই -পত্রিকা
No Result
View All Result
Morning News
No Result
View All Result
Home অতিথি কলম

21st April অতিথি কলম

in অতিথি কলম
21st April অতিথি কলম

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ সংগঠন ও গণতন্ত্র
বন্ধুভাবের বিকাশই স্বতন্ত্রতা ও সমানতা, এটিই জীবনমূল্যকে আশ্বস্ত করে। সঙ্ঘ শাখা চালানোর উদ্দেশ্য হলো হিন্দু সমাজে বন্ধুভাব জাগ্রত করে তা সুদৃঢ় করা।
মধুভাই কুলকর্ণী
আমাদের দেশে ২৬ নভেম্বর দিনটি সংবিধান দিবস রূপে পালিত হয়ে আসছে। ১৯৪৯ সালে ২৬ নভেম্বর স্বাধীন ভারতে সংবিধান গৃহীত হয়। ভারত স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক দেশরূপে বিশ্বের দেশগুলির মাঝে স্বাভিমানের সঙ্গে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ‘আমরা ভারতবাসী’ এই বাক্য দিয়ে সংবিধানের প্রস্তাবনা আরম্ভ হয়েছে। ভিড়কে ‘জনগণ’-এর সংজ্ঞা দেওয়া যায় না। ‘জনগণ’ অর্থাৎ নিজস্ব স্বভাব অনুসারে এক দিশায় চলতে থাকা মানুষের সমূহ।
এমন নয় যে আমাদের দেশ সংবিধান অনুযায়ীই গণতন্ত্র। ভারতবাসী প্রাচীনকাল থেকেই গণতান্ত্রিক মানসিকতার। এজন্যই ভারতের সংবিধান গণতন্ত্র স্থাপনকারী সংবিধান। গণতন্ত্র মানে ধারাবাহিক চিন্তন-মন্থন, আলোচনা-চর্চা, মতামত প্রদর্শনের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং অপরের মতামত শোনার মানসিকতা। শুধুমাত্র অপরের মতামতের প্রতি সহিষ্ণুতা নয়, বরং অপরের মতামতকেও সম্মান করা। এই গণতান্ত্রিক জীবনমূল্য ভারতীয় জনজীবনে গভীরভাবে সমাবিষ্ট।
বৈদিককাল থেকে ভারতে ‘লোক সভ্যতা’ উন্নত হয়ে চলেছে। এই সময় অসংখ্য মতামতের জন্ম হয়। বহু পন্থ, উপপন্থ ও সম্প্রদায় নির্মাণ হয়। নানান দর্শন সৃষ্টি হয়। বহু ভাষা, কলা ও শিল্পের বিকাশ হয়। আমাদের মধ্যে এই ভাব তৈরি হয় যে এসব আমাদেরই। তীর্থযাত্রার সময় এই বিবিধতা কখনোই বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। ‘ভারতীয় সমাজ গত হাজার বছরে গণতান্ত্রিক জীবনমূল্যের ভিত্তিতে বসবাসকারী সমাজ।’ সংবিধান প্রণেতাগণ ভারতীয় সমাজের গণতান্ত্রিক জীবনের মূল্যবোধগুলি শব্দবদ্ধ করেছেন। পরাধীনতার দীর্ঘ কালখণ্ডের পর ভারতীয় জীবনমূল্য সংবিধানরূপে বিশ্বের সামনে প্রকাশিত হয়। এটা এক যুগান্তকারী কাজ। সংবিধান সমিতির সদস্যগণ এর জন্য সামূহিক বুদ্ধিমত্তা অনুসারে সিদ্ধান্ত নেয়।
ভারতের সংবিধান স্বতন্ত্রতা, সমানতা ও বন্ধুত্ব- এই ত্রিসূত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত। পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, ভারতের স্বাধীনতা প্রাপ্তির জন্য নিরলস পরিশ্রমকারী ডাঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের বিস্তার ও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে এই তিনটি জীবনমূল্যকে সংগঠনে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা শুরু থেকেই করে গেছেন। তা কয়েকটি বিন্দু থেকে পরিলক্ষিত হয়-
(১) তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে সক্রিয় বহু নেতার সঙ্গে আলোচনা করার পর সঙ্ঘ স্থাপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
(২) সংগঠনের নাম ৬ মাস পরে নিশ্চিত করা হয়। ২৬ জন সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে তিনটি নামের প্রস্তাব হয়- রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ, জরীপটকা মণ্ডল ও ভারতোদ্ধারক মণ্ডল। সেখানে মুক্ত আলোচনা, প্রচুর বিচার-বিশ্লেষণ ও মত গ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের নামে ২০ জন সহমত পোষণ করেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ এই নামের বিস্তারিত ব্যাখ্যার জন্য দু’তিনজন বক্তব্য রাখেন। এই নাম চয়নের পর ডাক্তারজীর ছোটো ভাষণ হয়।
(৩) নামকরণ হওয়ার পর ডাক্তারজী একটা কাজ করেন। কিছু প্রমুখ স্বয়ংসেবককে এই বিষয়ে প্রবন্ধ লিখতে বলেন। সঙ্ঘের ধ্যেয় কী হওয়া উচিত, সঙ্ঘে কাদের প্রবেশাধিকার দেওয়া উচিত, আমাদের সঙ্ঘ কাজের বিস্তার কেমন করে হবে প্রভৃতি।
(৪) কয়েকজন স্বয়ংসেবকের মত ছিল রামটেক যাত্রায় ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করা উচিত। যাত্রার সুব্যবস্থা করা শুধুমাত্র সঙ্ঘের বিষয় নয়, ডাক্তারজী অনাথ ছাত্রদের ছাত্রাবাসের পরিচালক, বজরঙ্গ মণ্ডলের পদাধিকারী এবং সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকদের মিলিত বৈঠক ডাকেন। সকলের মত ছিল রামটেক যাত্রায় ব্যবস্থা নিয়ে ভাবা উচিত। এবং তার জন্য একটা পোশাকও নির্ধারণ করা হয়।
(৫) অনুভব করা হয় সঙ্ঘের ক্রমবর্ধমান কাজের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন হওয়া উচিত। সঙ্ঘচালকদের বৈঠকে সরসঙ্ঘচালক পরম পূজনীয় ডাক্তারজীর সহায়ক রূপে সরকার্যবাহ বালাসাহেব হুদ্দার এবং সরসেনাপতি রূপে মার্তণ্ডরাও জোগের নাম নিশ্চিত করা হয়। শাখায় ডাক্তারজীকে ‘সরসঙ্ঘচালক প্রণাম’ দেওয়া হয়। সেদিন ডাক্তারজী ডায়েরিতে যেটি লেখেন, তা সবার পড়া ও শোনা উচিত- ‘সঙ্ঘের জন্মদাতা আমি নই, আপনারা, তা আমি ভালোভাবেই জানি। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনাদের ইচ্ছা ও আদেশ থাকবে ততক্ষণ আমি এই দায়িত্ব পালন করতে থাকব। কিন্তু যদি আপনাদের মনে হয় আমি এই কাজের যোগ্য নই এবং আমার জন্য সঙ্ঘের ক্ষতি হচ্ছে, তাহলে আপনারা অন্য কোনো যোগ্য ব্যক্তিকে এই পদের জন্য নির্বাচন করতে পারেন।’
(৬) ১৯২৯ সাল নাগাদ শাখার সংখ্যা বাড়তে থাকে। তরুণ কার্যকর্তাদের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছিল। কার্যকর্তারা একটা বড়ো সম্মেলন আয়োজন করার কথা ডাক্তারজীকে জানান। কার্যকর্তাদের ইচ্ছা ছিল ছত্রপতি শিবাজী মহারাজের রাজ্যাভিষেকের দিন বিরাট শক্তি প্রদর্শন করা হলে স্বয়ংসেবকদের আত্মবিশ্বাস উৎসাহ বাড়বে। কিন্তু ডাক্তারজীর মন বলছিল এত তাড়াহুড়ো ঠিক হবে না, তাতে ইংরজেদের কুনজরে পড়ার সম্ভাবনা। তবুও তিনি তাদের সেভাবে না করতে পারেননি। মাননীয় সঙ্ঘচালকদের চিঠি লিখে এই বিষয়ে মতামত জানতে চান বড়ো কার্যক্রম করা ঠিক হবে কিনা। তারপর ঠিক হয়, এখন কোনো বড়ো আয়োজন করা ঠিক হবে না।
(৭) এটা তখনকার কথা যখন ডাক্তারজীর শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ এবং বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব বলে মনে হয়েছিল। সকলের মনে হয় ডাক্তারজী নিঃসন্দেহে ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন। যাদবরাও জোশীকে ডাক্তারজী জিজ্ঞেস করেন, ‘সঙ্ঘের বরিষ্ঠ অধিকারী প্রয়াত হলে তাঁর অন্তিম সৎকার সামরিক পদ্ধতিতে করা হবে কি? সঙ্ঘ একটা বড়ো পরিবার; পরিবারের প্রধানের মতো তাঁরও শেষকৃত্য সাদাসিধেভাবে হওয়া উচিত।’
ডাক্তারজীর জীবনের এই সাতটি চয়নিত প্রসঙ্গ বলার উদ্দেশ্য হলো, আমরা এটা বুঝতে পারি সংগঠনের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিষ্ঠা করতে ডাক্তারজী কতটা সাবধানতা অবলম্বন করেছিলেন। ডাক্তারজীর তৈরি পরম্পরা অনুসারে সঙ্ঘের সমস্ত কাজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের উপর প্রতিষ্ঠিত। সঙ্ঘের কার্যপদ্ধতির ধরনটাই এমন যে প্রত্যেকটা স্তরেই আলোচনা, চর্চা, খোলামেলা মত বিনিময়, ব্যক্তিগত উপাসনার পূর্ণ স্বাধীনতা, সামূহিক সিদ্ধান্ত এবং গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসরণ করার মতো মূল্যবোধ সংযুক্ত রয়েছে।
সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় কার্যকরী মণ্ডল এবং অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠক প্রতি বছর হয়ে থাকে। সম্পূর্ণ কার্যবিবরণী লিখিতভাবে উপস্থাপন করা হয়। বিগত বছরের কার্যবিবরণী পাঠ করা হয় এবং তার অনুমোদন করা হয়। প্রস্তাব নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। কাউকেই তাতে অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হয় না। প্রস্তাব প্রচার মাধ্যমে দেওয়া হয়। প্রত্যেক তিন বছর অন্তর সংগঠনে নির্বাচন হয়।
১৯৪৮ সালে গান্ধীজী হত্যায় সঙ্ঘের হাত থাকার মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে সরকার সঙ্ঘের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আইনের প্রতি সম্পূর্ণ মর্যাদা বজায় রেখে সঙ্ঘ এই নিষেধাজ্ঞা সহ্য করে। বিভিন্ন স্থানে সত্যাগ্রহ হয়। কোনো জায়গা থেকে ভুলবশতও কোনো হিংসার খবর পাওয়া যায়নি।
সরসঙ্ঘচালক ক্ষেত্র সঙ্ঘচালকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সরসঙ্ঘচালকের নাম নিশ্চিত করেন। অধিকারী এবং স্বয়ংসেবকদের (বালক ও শিশুও) মধ্যে কোনোরকম পার্থক্য করা হয় না, সকলের পরিচয় স্বয়ংসেবক।
শাখা হলো সঙ্ঘের প্রতিনিধি স্বরূপ। সঙ্ঘ শাখার কোনো দরজা হয় না। ‘মুক্ত জাতীয় বিদ্যালয়’ বলা যেতে পারে। শাখায় ৮-১০ জনের ছোটো কার্যসমিতি থাকে। তাকে বলা হয় শাখা টোলি। তাদের সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের আলোচনায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সকলেরই অংশগ্রহণ থাকে। তাতে গত বৈঠকের সমীক্ষা এবং আগামী পরিকল্পনার আলোচনা হয়। কতজন নতুন স্বয়ংসেবক হয়েছে তার খোঁজখবর করা হয়। পাড়া বা বসতিতে বাড়ি বাড়ি সম্পর্ক করে সঙ্ঘের বিষয়ে বলার কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলতে থাকে। প্রত্যেক শাখা তার বার্ষিক উৎসবের আয়োজন করে। তাতে সারা বছরের বিবরণ সকলের সামনে উপস্থাপন করা হয়।
গণতান্ত্রিক জীবনমূল্য অনুসারে সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকের আচার-বিচার সহজরূপেই হতে থাকে। যার উদাহরণ ১৯৭৫-এ জরুরি অবস্থার সময় দেখা গিয়েছে। তখন কেন্দ্রে কংগ্রেস সরকার গণতান্ত্রিক জীবনমূল্যের উপর প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মানবিক অধিকার বিলোপ করে দিয়েছিল। অন্যায়ের প্রতিবাদের জন্য আদালতের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। জরুরি অবস্থার অবসান করা এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ‘লোক সংঘর্ষ সমিতি’-র নেতৃত্বে সত্যাগ্রহ শুরু হয়। সেই আন্দোলনের জন্য সত্যাগ্রহে অংশগ্রহণ এক কথায় চোখ বন্ধ করে কুয়োই ঝাঁপ দেওয়া। ভবিষ্যতে কী হতে পারে সে ব্যাপারে কারও বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা ছিল না। তা সত্ত্বেও একলক্ষেরও বেশি স্বয়ংসেবক এই সত্যাগ্রহে অংশগ্রহণ করে কারাবরণ করেন। এই কারণেই জরুরি অবস্থার অবসান হয়। কারারুদ্ধ সকলকে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে কিছুজন তার আগেই জেলের মধ্যেই প্রয়াত হন। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়। কোথাও কোনো সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হয়নি।
স্বতন্ত্রতা, সমানতা ও বন্ধুত্ব- এই তিন তত্ত্বের বিষয়ে ড. বাবাসাহেব আম্বেদকরের চিন্তাভাবনা সকলের পড়া উচিত- ‘আমার তত্ত্বজ্ঞানে স্বতন্ত্রতা ও সমানতার অতিক্রমণের দ্বারা সংরক্ষণপায়, এর জন্য কেবলমাত্র আইনের স্থান পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু তাকে আমি গৌণ বলে মনে করি। কারণ, আমার মনে হয় না স্বতন্ত্রতা ও সমানতা উল্লঙ্ঘনের বিষয়ে আইন নিশ্চিতভাবে সক্ষম হবে। আমি বন্ধুত্বকেই সর্বোচ্চ স্থান দেওয়ার ইচ্ছা রাখি। কারণ, স্বতন্ত্রতা ও সমানতাকে যদি অস্বীকার করা হয় তবে বন্ধুত্বের বোধই একমাত্র রক্ষক। সহভাব বন্ধুত্বর অপর নাম এবং বন্ধুত্বই মানবতার অপর নাম। আইন উপাসনা পদ্ধতির উপরে হওয়াই যে কেউই তা অতিক্রম করতে পারে। এর বিপরীত সহভাব বা ধর্ম পবিত্র, সেই কারণে তার সম্মান করা প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য মনে করা হয়।’
বন্ধুভাব হলো ধর্ম তত্ত্ব, এমন শ্রদ্ধা প্রত্যেক ব্যক্তির অন্তঃকরণে নির্মাণ করা বড়ো এক জাতীয় কাজ। সংবিধানের প্রস্তাবনায় লেখা হয়েছে- ‘ব্যক্তির সম্মান, রাষ্ট্রের একতা ও একাত্মতার আশ্বাস প্রদানকারী বন্ধুত্ব প্রবর্ধিত করার সংকল্প’- বন্ধুভাবের বিকাশই স্বতন্ত্রতা ও সমানতা, এটিই এই জীবনমূল্যকে আশ্বস্ত করে। সঙ্ঘ শাখা চালানোর উদ্দেশ্য হলো হিন্দু সমাজে বন্ধুভাব জাগ্রত করে তা সুদৃঢ় করা। শাখার একটি গানের একটি পঙ্ক্তিতে রয়েছে- ‘হিন্দু মোরা ভাই হিন্দু মোরা, দেশ মোদের এই হিন্দুস্থান।’ নিঃসন্দেহ বলা যায় সামূহিক রূপে ‘ভারতমাতা কী জয়’ বলার সময় ভ্রাতৃভাব জেগে ওঠে।

READ ALSO

10th November অতিথি কলম

10th November অতিথি কলম

November 11, 2025
03rd November অতিথি কলম

03rd November অতিথি কলম

November 3, 2025
ShareTweetShare

Related Posts

10th November অতিথি কলম
অতিথি কলম

10th November অতিথি কলম

November 11, 2025
03rd November অতিথি কলম
অতিথি কলম

03rd November অতিথি কলম

November 3, 2025
27th October অতিথি কলম
অতিথি কলম

27th October অতিথি কলম

October 28, 2025
20th October অতিথি কলম
অতিথি কলম

20th October অতিথি কলম

October 23, 2025
29th September অতিথি কলম
অতিথি কলম

29th September অতিথি কলম

October 7, 2025
08th September অতিথি কলম
অতিথি কলম

08th September অতিথি কলম

September 11, 2025

POPULAR NEWS

4th September 2023 Rajjopat

4th September 2023 Rajjopat

September 21, 2023
৩৫০ বছর পর দেশে ফিরছে শিবাজীর বাঘনখ

৩৫০ বছর পর দেশে ফিরছে শিবাজীর বাঘনখ

October 2, 2023
কেশব ভবনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী হানা

কেশব ভবনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী হানা

October 4, 2023
2nd October 2023 Parampara

2nd October 2023 Parampara

October 1, 2023
4th September Angana

4th September Angana

September 21, 2023

EDITOR'S PICK

28th April  উত্তর সম্পাদকীয়

28th April উত্তর সম্পাদকীয়

May 6, 2025
24th November রাজ্যপাট

24th November রাজ্যপাট

November 25, 2025
15th September প্রচ্ছদ নিবন্ধ

15th September প্রচ্ছদ নিবন্ধ

September 18, 2025
16th June উত্তর সম্পাদকীয়

16th June উত্তর সম্পাদকীয়

June 16, 2025

About

Follow us

Categories

  • Uncategorized
  • অতিথি কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • পরম্পরা
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • বিশেষ নিবন্ধ
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • রাজ্যপাট
  • সঙ্ঘবার্তা
  • সম্পাদকীয়
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি

Recent Posts

  • 24th November বিশেষ নিবন্ধ
  • 24th Novemberপরম্পরা
  • 24th Novemberপরম্পরা
  • 24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

© 2023 Swastika. All rights reserved.

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • রাজ্যপাট
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি
  • অতিথি কলম
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • পরম্পরা
  • ই -পত্রিকা

© 2023 Swastika. All rights reserved.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?