• About
  • Contact Us
Sunday, March 22, 2026
Swastika
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • রাজ্যপাট
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি
  • অতিথি কলম
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • পরম্পরা
  • সঙ্ঘবার্তা
  • বিশেষ নিবন্ধ
  • ই -পত্রিকা
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • রাজ্যপাট
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি
  • অতিথি কলম
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • পরম্পরা
  • সঙ্ঘবার্তা
  • বিশেষ নিবন্ধ
  • ই -পত্রিকা
No Result
View All Result
Morning News
No Result
View All Result
Home প্রচ্ছদ নিবন্ধ

27th October প্রচ্ছদ নিবন্ধ

in প্রচ্ছদ নিবন্ধ
27th October প্রচ্ছদ নিবন্ধ

Issue 78-09-27-10-2025

নাগরাকাটায় আক্রান্ত বিজেপির সাংসদ ও বিধায়ক : সংখ্যা ও তথ্যভিত্তিক কারণ অনুসন্ধান


দেবযানী ভট্টাচার্য্য
পশ্চিমবঙ্গে শাসকদল আশ্রিত গুন্ডাবাহিনীর আক্রমণে ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকে শুরু করে অদ্যাবধি শ’য়ে শ’য়ে সাধারণ বিজেপি কার্যকর্তার মৃত্যু ও চরম দুর্ভোগ বিজেপির সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে টলাতে না পারলেও, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের উপর দুষ্কৃতীদের অতর্কিত হামলা সর্বোচ্চ নেতৃত্বের মনে বুঝি-বা কেটেছে গভীর দাগ। টনক নড়েছে দিল্লির।
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় মেয়াদকাল শুরু হওয়ার পর থেকে শাসকের সুপরিকল্পিত হিংসার শিকার আক্ষরিক অর্থেই হয়েছেন শ’য়ে শ’য়ে সাধারণ বিজেপি কার্যকর্তা। অথচ দু’তিনজন বিধায়ক স্তরের নেতাকে বাদ দিলে এযাবৎকাল গায়ে তেমন হাত পড়েনি বিজেপির নেতৃবৃন্দের এবং তাঁরা ছিলেন মোটামুটি অক্ষতই। অথচ এবার নাগরাকাটায় মালদা উত্তর সংসদীয় ক্ষেত্রের সাংসদ খগেন মুমুকে মারা হয়েছে এমনভাবে যে সাংসদ মারা যেতে পারতেন। খগেন মুর্মুর উপর আক্রমণটি ছিল ‘হত্যার চেষ্টা’ পদবাচ্য এক অপরাধকর্ম যে চেষ্টাটি ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে ইতিপূর্বে এরকম শ’য়ে শ’য়ে ‘হত্যার চেষ্টা’ সফল হয়েছে, যার ফলে মারা গিয়েছেন শ’য়ে শ’য়ে বিজেপি কার্যকর্তা। কিন্তু খগেন মুর্মু এ যাত্রা বেঁচে গিয়েছেন।
এহেন আক্রমণের ঘটনার পর আটচল্লিশ ঘণ্টা কেটে গেলেও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ গ্রেপ্তার করেনি কাউকেই যদিও পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে অবহিত কোনো ব্যক্তিই তাতে বিন্দুমাত্র বিস্মিত হয়নি। কারণ নানা প্রকারের অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশি সক্রিয়তার পরিবর্তে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তাই বরং বর্তমানে এ রাজ্যের স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে দিল্লি যে অপরাধীদের পাকড়াও করার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে সক্রিয়তার প্রত্যাশা রেখেছে তাতেই বরং বিস্মিত হয়েছেন অনেকে। লোকসভা স্পিকারের অফিস থেকে ওই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে।
ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রের ভাবধারাকে অমান্য করার জন্য সাংবাদিক বৈঠক ডেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভর্ৎসনা করেছেন রবিশঙ্কর প্রসাদ, সুধাংশু ত্রিবেদী, গিরিরাজ সিংহের মতো বিজেপি নেতারা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পশ্চিমবঙ্গের সেই ‘শহুরে মাওবাদী’দের হাতের একপ্রকার পুতুলে পরিণত হয়েছেন যে ‘শহুরে মাওবাদী’রা ‘জামাত-এ- ইসলামি’র মতো কট্টরপন্থী ইসলামিয় সংগঠনগুলির সঙ্গে গড়ে তুলেছে ঘোর অশুভ এক আঁতাত, রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা ও সংসদীয় শিষ্টাচার পালনের স্বার্থেই হয়তো ওই বিজেপি নেতারা সে ভয়াবহ সত্যটিকে উহ্য রেখেছেন। রাজ্যের যত্রতত্র দুধেলগাইদের আক্রমণ, ভারতীয় আইন ও নিয়মবদ্ধ আচরণবিধির প্রতি চরম অশ্রদ্ধার নিয়মিত ও আনুষ্ঠানিক প্রদর্শন, রাজ্য জুড়ে অরাজকতার আবহ এবং অপরাধীদের উপর রাজ্য প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণহীনতা- সবই আদতে ভারতীয় সংবিধানকে ইচ্ছাকৃতভাবে কাঁচকলা দেখানোর এবং এ রাজ্যে যে শাসনব্যবস্থাটি চলছে সেটি যে একটি মাওবাদী ব্যবস্থা যা কিনা ভারতরাষ্ট্রকে স্বীকার পর্যন্ত করে না, সেই বার্তা প্রদানের স্পষ্ট ভঙ্গিমা।
এমন সোজাসাপটা ও আক্রমণাত্মক দাবিগুলিকে অসার বুলিসর্বস্ব বলে যদি মনে হয়, তাহলে স্মরণ করা উচিত যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বসেছিলেন মেধা পাটেকর, অনুরাধা তলওয়ার, অরুন্ধতী রায় আদি মহা মহা সব ‘শহুরে মাওবাদী’ অ্যাক্টিভিস্ট, তাঁদের সহায়ক এনজিও এবং নানা ক্ষেত্রের নানা প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিবর্গ যথা সাংবাদিক, শিল্পী, চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক, আইএএস, আইপিএস, অ্যাডভোকেট, অভিনেতাদের সহায়তায়। ভুললে চলবে না একথাও যে, সে সময়ে মমতার সহায়ক হয়েছিল সিপিআইএম লিবারেশন, এসইউসিআই এবং আরও বহু মাওবাদী দল এবং ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের একদা অর্থমন্ত্রী সিপিএমের অশোক মিত্র পর্যন্ত। অর্থাৎ সিঙ্গুর আন্দোলন যে আদতে ছিল ‘শহুরে মাওবাদী’দের তরফে একখানি প্রাদেশিক স্তরের ‘রেজিম চেঞ্জ’ অপারশেন যার মুখ্য লাভার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের এই ঘোর দুর্দিনে সেই সরল সত্যটি সহজভাবে স্মরণ করার সময় আজ এসেছে। সিপিএমের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দেওয়া ‘শহুরে মাওবাদী’দের জন্য তখন হয়ে পড়েছিল জরুরি। কারণ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক প্রগতির জন্য রাজ্যটিকে পুনর্শিল্পায়িত করার দিকে পা এহেন পশ্চিমবঙ্গের শাসনব্যবস্থা যদি বাড়িয়ে ফেলেছিলেন।
বিজেপির মতো একখানি প্রকৃত জাতীয়তাবাদী দলের দ্বারা পরিচালিত হয়, তবে সে দলটি যে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক এবং পরিকাঠামোগত প্রবৃদ্ধি তথা বিকাশ ঘটানোর প্রয়াস করবেই, সে বিষয়ে সন্দেহ মাত্র নেই। তাহলে পশ্চিমবঙ্গের সেই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি রুখতে এ রাজ্যে বিজেপির প্রতিষ্ঠা ঠেকানোর স্বার্থে ‘শহুরে মাওবাদী’রা যে মরিয়া হয়ে যেকোনো প্রকার বিধ্বংসী পদক্ষেপই নিতে পারে তা অনুধাবন করতে সুবিধা কোথায়?
এতদিন পর্যন্ত শাসকাশ্রিত গুন্ডারা মেরেছে বুথ ও স্থানীয় স্তরের বিজেপি কার্যকর্তাদের। কিন্তু বিজেপির পক্ষে দাঁড়ালে যে কোনো আর্থ-সামাজিক স্তরের যে কোনো মানুষের পরিণতিই যে অকল্পনীয় ভয়ানক হতে পারে, রাজ্যের সমস্ত স্তরের সাধারণ মানুষকে সেই সন্ত্রাসের বার্তা দেওয়ার জন্য ২০২৬-এর নির্বাচনের আগে তারা যদি বিজেপির নেতা ও নেতৃস্থানীয়দেরকে নিশানা বানায়, সেক্ষেত্রে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। এই প্রসঙ্গেই আরও একবার স্মরণ করা প্রয়োজন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মহুয়া মৈত্রের সাম্প্রতিক আক্রমণাত্মক মন্তব্যটি যার মাধ্যমে মৈত্র প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে ভারতের মাটিতে অবৈধ অনুপ্রবেশের জন্য মুণ্ডচ্ছেদ হওয়া উচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরই। কারণ অনুপ্রবেশ ঠেকানোর উত্তরদায়িত্ব ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গকে ‘শহুরে মাওবাদী’দের শেষ ভারতীয় দুর্গ হিসেবে রক্ষা করার জন্য বিজেপি নেতৃত্বের যে কোনো স্তরের উপর হিংস্র আক্রমণ শাণাতে পশ্চিমবঙ্গের ইকোসিস্টেম যে ইতস্তত করবে না তা আগে থেকেই আন্দাজ করা আবশ্যক। ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন যদি ভারতের আর পাঁচটা রাজ্যের নির্বাচনের মতো করে হয়, পশ্চিমবঙ্গের মাটির রক্তস্নাত হওয়ার সম্ভাবনা সেক্ষেত্রে প্রায় একশো শতাংশ। নির্বাচন কমিশন তা ঠেকাতে পারবে এমন আশার কুহকে আচ্ছন্ন হওয়ার কোনো কারণ পশ্চিমবঙ্গের হতভাগ্য মানুষের নেই।
এমতাবস্থায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতৃত্বকে দিয়েছেন কড়া বার্তা। তৃণমূলের তরফ থেকে আক্রমণ শাণানো হলেও বঙ্গবিজেপি নেতাদের তিনি দিয়েছেন বন্যার্তদের পাশে ত্রাণ নিয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ। আর এতেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইকোসিস্টেম পড়েছে কিছুটা বেকায়দায় যার ফলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে এক পত্র যাতে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের রাজনীতীকরণ করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির নেতৃবৃন্দকে ফ্রন্ট ফুটে খেলার নির্দেশ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইকোসিস্টেমকে কিঞ্চিৎ ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কারণ প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে এমন সরাসরি রুখে দাঁড়ানোর বার্তা যে আসতে পারে, পশ্চিমবঙ্গীয় ইকোসিস্টেম তা আন্দাজ করতে পারেনি।
‘বন্যায় সব-হারানো মানুষেরা যখন দেখেছে যে চল্লিশটা গাড়ি হাঁকিয়ে একদল লোক তাঁদের সামনে গিয়ে হাজির হয়েছে, তখন তারা হয়ে উঠেছে হঠাৎ-ক্ষিপ্ত’- ৬ অক্টোবর উত্তরবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর এহেন দাবিকে নস্যাৎ করে জানিয়েছেন যে মোট গাড়ির সংখ্যা ছিল কুড়িটি যার মধ্যে বারোটি ছিল মিডিয়া হাউসের গাড়ি, তথাপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথিত ‘স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ’-এর এহেন তত্ত্ব গ্রহণযোগ্য হতে পারত যদি না দেখা যেত যে নাগরাকাটার মানুষের কমিউনিটি ডেমোগ্রাফির সাংখ্যিক হিসাবটিই মুখ্যমন্ত্রীর হাইপোথিসিসের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে।
২০১১-র জনগণনা অনুযায়ী নাগরাকাটার জনগণের ১৪.২৬ শতাংশ ছিল তফশিলি জাতিভুক্ত, ৪৬.৬৭ শতাংশ তফশিলি উপজাতিভুক্ত এবং ভোটার তালিকা পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত মুসলমান জনসংখ্যা ছিল ১১.৭ শতাংশ। ডেমোগ্রাফির এই বিন্যাসই যদি ২০২৫-এও থেকে থাকে, তবে মুসলমানদের সেখানে প্রকৃত অর্থেই সংখ্যালঘু শক্তি হওয়ার কথা এবং বন্যার্ত মানুষের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার কথা তফশিলি উপজাতিভুক্ত মানুষদের। সেক্ষেত্রে জনরোষ যদি স্বতঃস্ফূর্ত হতো, তবে তা তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্তদের পক্ষ থেকে না এসে মুসলমানদের পক্ষ থেকে এল কেন? এমন কয়েকটি প্রশ্ন কিন্তু উঠছেই-
প্রশ্ন-১: নাগরাকাটার রিলিজিয়াস জনবিন্যাস কি তবে পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে? নাকি খগেন মুর্মুর সংসদীয় ক্ষেত্র ‘উত্তর মালদা’র জামাত-সমর্থিত কট্টরপন্থী ইসলামিয়রা ‘উত্তর মালদা’ থেকে উজিয়ে গিয়ে খগেন মুর্মুকে নিশানা করে আক্রমণ শাণিয়েছে নাগরাকাটায়?
আক্রমণকারীরা যেহেতু মুসলমান ছিল এবং মুসলমান জনগোষ্ঠী যেহেতু সাধারণভাবেই প্রবল বিজেপি বিদ্বেষী, ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ’ তত্ত্ব এক্ষেত্রে প্রশ্নাতীতভাবে খাটবে না। কারণ বিজেপির সাংসদ ও বিধায়কদের উপর নাগরাকাটার মুসলমানদের ক্রোধজনিত আক্রমণ যে বিজেপির প্রতি তাদের সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের কারণে নয়, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার কোনো উপায়ই প্রকৃতপক্ষে নেই।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে নাগরাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয় বিজেপি। আবার নাগরাকাটা বিধানসভা যে আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে সেই আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি মোট ভোটের ৪৯.৯২ শতাংশ পেয়ে টিএমসি-কে ৭৫৪৪৭ ভোটের ব্যবধানে পরাস্ত করলেও নাগরাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রে টিএমসি-র কাছে পরাস্ত হয়েছে ১.৯৩ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে। অথচ ২০১৯-এর লোকসভায় এই নাগরাকাটাই বিজেপিকে দিয়েছিল বিপুল ব্যবধানের জয়। পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে নাগরাকাটা বিধানসভা ক্ষেত্রে বিজেপির ফলাফল হয়েছে বিক্ষিপ্ত ও কোনো নির্দিষ্ট প্যাটার্নহীন। অথচ টিএমসি-র ভোট বৃদ্ধি পেয়েছে একটি স্থির ও নির্দিষ্ট প্যাটার্নে। ২০২৪-এর লোকসভায় নাগরাকাটার কয়েকটি বুথের ফলাফল এমন অসম্ভবরকম বিক্ষিপ্ত যে সেগুলি আদতে নাগরাকাটার জনবিন্যাসের পরিবর্তনের এবং নাগরাকাটায় বহু সংখ্যক কট্টর বিজেপিবিরোধী মানুষের সমাগমের প্রায় স্পষ্ট নির্দেশক।
প্রশ্ন-২: নাগরাকাটার এই কট্টর বিজেপিবিরোধী মানুষেরা আদতে কারা? কিছু বুথে যারা প্রায় গোটা বুথ জুড়ে এককাট্টা হয়ে টিএমসি’কে ভোট দিয়েছে? (সারণী দ্রষ্টব্য)
ভোটের ফলাফল অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে নাগরাকাটা বিধানসভা বিজেপির শক্ত খাঁটি হয়ে উঠেছিল ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকেই, অথচ ধীরে ধীরে তা বেরিয়ে যাচ্ছে বিজেপির হাত থেকে, হয়তো-বা নাগরাকাটায় কট্টর বিজেপি বিরোধী ভোটারের সংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধির ফলেই। ভোটের ফলাফলের এহেন ট্রেন্ডকে খগেন মুর্মুর আক্রমণকারীরা যে মুসলমান সেই সত্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে (correlation) তা থেকে এই সিদ্ধান্ত পৌঁছোনো পূর্ণত যৌক্তিক যে নাগরাকাটার ক্রমবর্ধমান কট্টর বিজেপিবিরোধী ভোটাররা আদতে মুসলমান। এর মাধ্যমে আমরা পেয়ে গেলাম আমাদের উপরোক্ত ২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর।
এ থেকে এ-ও প্রতীত হয় যে বিজেপির সাংসদ ও বিধায়কের উপর আক্রমণ আদতে নাগরাকাটার মুসলমান ভোটারদের সাংখ্যিক শক্তি প্রদর্শনের একখানি নমুনা যা কিনা পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের সুরক্ষাপ্রাপ্ত মুসলমান ভোটারদের আচরণের এক সুপরিচিত হলমার্ক। অর্থাৎ সংখ্যার হিসেবে দেখলে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে নাগরাকাটায় বিজেপি সাংসদ ও বিধায়কদ্বয়ের উপর হামলা আদতে ‘স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ’জনিত নয় বরং সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষজনিত। এ থেকে উপরোক্ত ১ নম্বর প্রশ্নের উত্তরও মেলে। খগেন মুর্মুর আক্রমণকারীরা উত্তর মালদা থেকে নাগরাগাটায় হয়তো আসেনি, বরং পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে নাগরাকাটার রিলিজিয়াস জনবিন্যাসেরই।
সারণী লোকসভা বিধানসভা সাল ভোট ভোট সাল ভোট শতাংশ ২০১৬ শতাংশ বিজেপি টিএমসি বিজেপি টিএমসি ২০১৪ ৩৫.৯% ২০.৬% ২০১১ ০ ২০১৯ ৫৮.৪% ৩০.২% ২০২০ ২৭.১% ৩২.৫% ২০২৪ ৪৩.৩% ৪৫.২৩% ২০২১ ৪৯.৫% ৩৭.৩%
প্রশ্ন-৩ : ভারতের জাতীয় সুরক্ষাকে বিঘ্নিত করা এহেন মুসলমানরা নাগরাকাটায় এসে জড়ো হচ্ছে কোথা থেকে? এই প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর এখনোও জানা নেই যদিও নাগরাকাটার অবস্থান এমন এক স্থানে যে স্থান বাংলাদেশ সীমান্তে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের এক্তিয়ারভুক্ত ৫০ কিলোমিটার এলাকার অব্যবহিত বাইরে। অর্থাৎ ভারতের এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশের পর বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা যদি বিএসএফ-এর এক্তিয়ারভুক্ত এলাকার ঠিক বাইরে ঘাঁটি গাড়তে চায়, তবে নাগরাকাটা তার জন্য উপযুক্ত এক স্থান।
বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটারের অধিক দূরত্বে অবস্থিত হলেও নাগরাকাটার অবস্থান ভুটান সীমান্তের একেবারে লাগোয়া অঞ্চলে এবং ভুটান থেকে প্রবাহিত নদীগুলি নাগরাকাটার উপর দিয়ে বিপুল বেগে বয়ে গিয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে উত্তরবঙ্গকে। ৬ অক্টোবর উত্তরবঙ্গের মানুষকে শান্ত থাকতে অনুরোধ জানানোর সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও বলেন, ‘ওই জায়গাটি হলো বর্ডার’। এক্ষণে প্রশ্ন তৎসত্ত্বেও রয়েই যায় যে ‘ওয়েস্টবেঙ্গল আন্ডার ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বর্ডার এরিয়াজ প্রোগ্রাম’ (FMBAP)-কে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ১২৯০ কোটি টাকা অনুমোদন করা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই খাতে সেই অর্থের ব্যবহার কতখানি বিচক্ষণতার সঙ্গে করতে পেরেছে? পরিবেশ ও প্রকৃতিগতভাবে এতখানি সংবেদনশীল হওয়া সত্ত্বেও এবং ভুটান থেকে প্রবাহিত নদীগুলির দ্বারা বিধ্বংসী বন্যার কবলে বার বার পড়া সত্ত্বেও উপযুক্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ উত্তরবঙ্গে যেন শুরু করা হয়নি সে প্রশ্নও উঠবেই।
কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের পক্ষে এও জানানো হয়েছে, ‘Under Ganga Action Plan and Namami Gange Project, a total of 62 projects and interventions worth Rs. 5,648.52 crore have been undertaken in the state of West Bengal. The National Mission for Clean Ganga (NMCG) has sanctioned a total of 31 sewerage infrastructure projects, 30 ghats and crematoria projects in the state. Besides, a large single project for river rejuvenation in West Ben- gal, the rejuvenation of Tolly Nullah in Kolkata has been sanctioned,’- প্রশ্ন হলো, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কি বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য নিষ্কাশন পরিকাঠামোর গঠনে এহেন অনুমোদিত অর্থের উপযুক্ত ব্যবহার করতে পেরেছে? উত্তর হলো- না, পারেনি।
কিছু রাস্তাঘাট ব্যতীত পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে কোনো প্রকার পরিকাঠামো ক্ষেত্রেই অর্থব্যয় তেমন করেনি তার একমাত্র কারণ হলো পশ্চিমবঙ্গের অতিবাম শক্তিগুলি পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক ও পরিকাঠামোগত বিকাশের প্রবল পরিপন্থী। তাদের রাজনীতির মূল উদ্দেশ্যই হয়তো পশ্চিমবঙ্গের প্রাকৃতিক সম্পদ, অপরাধমূলক অর্থব্যবস্থা ও জন কোষাগারের অর্থের সংগঠিত লুণ্ঠন এবং বাঙ্গালিমননের অবিরাম রাডিকালাইজেশন। তার জন্য এ রাজ্যের দরিদ্রায়ন অবশ্য প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য। খগেন মুর্মু ও শঙ্কর ঘোষের অপরাধ ছিল সম্ভবত এই যে বন্যার্ত মানুষকে বিনা শর্তে কিঞ্চিৎ সহায়তা প্রদান করতে তাঁরা গিয়েছিলেন। মমতা উত্তরবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে মিডিয়ার সামনে বক্তব্য রাখার আগেই বিজেপির লোকেরা সেখানে পৌঁছে ইতিবাচক প্রচারের আলো নিজেদের উপর টেনে নেবেন, মমতা হয়তো তা চাননি।
দ্বিতীয়ত, খগেন মুর্মু নিজে তফশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের জনপ্রতিনিধি এবং তফশিলি জাতি ও উপজাতিপ্রধান নাগরাকাটার জন্য ত্রাণ নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শাসন কৌশলটি হলো- রাজ্যের মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের উন্নয়নকল্পে অনেক বেশি বাজেট বরাদ্দ রাখা এবং তফশিলি জাতি-উপজাতিভুক্তদের জন্য নিতান্ত কম আর্থিক বরাদ্দ রাখা। এহেন আর্থিক অসাম্যের মাধ্যমে তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মানুষ ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে সৃষ্টি করা একজাতীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক তিক্ততা। মুসলমান সম্প্রদায়ের তুলনায় তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মানুষদের এই প্রকার বঞ্চনার মধ্যে ফেলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী হতে পারে সে সম্পর্কে চিন্তা করতে গেলে এমন সন্দেহ হওয়া অযৌক্তিক নয় যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার হয়তো এহেন কৌশলের মাধ্যমে তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মানুষদের আদতে ধর্মান্তরিত হওয়ার দিকে পরোক্ষে ঠেলে দিতে চায়। সেই কারণেই বুঝি খগেন মুর্মু আক্রান্ত হলেন একদল মুসলমান পুরুষ ও নারীর দ্বারা, কারণ তিনি নাগরাকাটার তফশিলিপ্রধান মানুষদের জন্য ত্রাণ নিয়ে পৌঁছেছিলেন এবং স্থানীয় সংখ্যালঘুরা তা সহ্য করল না?
কট্টরপন্থী মুসলমানদের লেলিয়ে দেওয়া হলো তফশিলি উপজাতির একজন জনপ্রতিনিধির উপর, কারণ তিনি চেয়েছিলেন নিজ সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে। এর প্রকৃত কারণ বোধ করি এই যে পশ্চিমবঙ্গের ‘শহুরে মাওবাদী’ ও ‘জেহাদি মুসলমান’দের আঁতাতটি তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মানুষদের আভ্যন্তরীণ ঐক্যকে ভয় পায় এবং ভালো চোখে দেখে না। বিভিন্ন সময়ে এ রাজ্যের দলিত সম্প্রদায়ের উপর যে প্রকার আক্রমণ মুসলমানরা শাণিয়েছে এবং এহেন আক্রমণের যে রাক্ষুসে চেহারা রাজ্য জুড়ে দেখা গিয়েছে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর, তাতে এই প্রকার ধারণাকে নস্যাৎ করা বস্তুত অসম্ভব।
নাগরাকাটার ঘটনার গতিপ্রকৃতি ও হামলার পর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের সেখানে একা গিয়ে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টিকে দেখে সন্দেহ এও হয় যে খগেন মুর্মু ও শঙ্কর ঘোষের উপর হামলা চালানোর জন্য নাগরাকাটার স্থানীয় মুসলমানরা মমতার অনুমতিটুকু নেওয়ার প্রয়োজন পর্যন্ত হয়তো বা অনুভব করেনি, বরং কট্টরপন্থী মুসলমানরা বুঝি-বা হামলা চালিয়েছে স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই, কারণ রাজ্যের প্রশাসনিক সুরক্ষা যে তারা পাবেই সে বিষয়ে কোনো সংশয় তাদের ছিল না।
প্রশ্ন-৪: যে কোনো পরিস্থিতিতে এই ধরনের কট্টর মুসলমানদের সুরক্ষা পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রদান করছেই-বা কেন? তবে কি রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারই এদের বসবাসের বন্দোবস্ত করছে উক্ত স্থানের ভোটার তালিকাকে এমনভাবে পরিবর্তিত করার জন্য যাতে তৃণমূল নামক রাজনৈতিক দলটির নির্বাচনী বিজয় সুনিশ্চিত করা যায়? এ প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর এখনোও পর্যন্ত অজানা।
এই সব প্রশ্নের যথাযথ উত্তরের সন্ধানে প্রয়োজন সঠিক তদন্ত। নাগরাকাটার ঘটনার জন্য এনআইএ তদন্তের যে দাবি তোলা হয়েছে ও দায়ের করা হয়েছে জনস্বার্থ মামলা, তা ন্যায্য বলে মনে হয়। কারণ ভারতের জাতীয় সুরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে এ ঘটনার প্রভাব থাকার সম্ভাবনা প্রবল, বিশেষত ঘটনার মূল অভিযুক্ত অপরাধীদের অধিকাংশকেই যেখানে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ গ্রেপ্তার করেনি ১০ অক্টোবর পর্যন্তও। এমতাবস্থায় এনআইএ তদন্ত হয়তো সামনে নিয়ে আসবে চমকপ্রদ এমন কিছু তথ্য যা থেকে আমরা হয়তো পেয়ে যেতে পারব উপরোক্ত তিন ও চার নম্বর প্রশ্নের প্রকৃত উত্তরও।

READ ALSO

24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

November 26, 2025
24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

November 26, 2025
ShareTweetShare

Related Posts

24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ
প্রচ্ছদ নিবন্ধ

24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

November 26, 2025
24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ
প্রচ্ছদ নিবন্ধ

24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

November 26, 2025
24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ
প্রচ্ছদ নিবন্ধ

24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

November 26, 2025
10th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ
প্রচ্ছদ নিবন্ধ

10th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

November 13, 2025
10th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ
প্রচ্ছদ নিবন্ধ

10th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

November 13, 2025
10th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ
প্রচ্ছদ নিবন্ধ

10th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

November 12, 2025

POPULAR NEWS

4th September 2023 Rajjopat

4th September 2023 Rajjopat

September 21, 2023
৩৫০ বছর পর দেশে ফিরছে শিবাজীর বাঘনখ

৩৫০ বছর পর দেশে ফিরছে শিবাজীর বাঘনখ

October 2, 2023
কেশব ভবনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী হানা

কেশব ভবনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী হানা

October 4, 2023
2nd October 2023 Parampara

2nd October 2023 Parampara

October 1, 2023
4th September Angana

4th September Angana

September 21, 2023

EDITOR'S PICK

03rd  November সুন্দর মৌলিকের চিঠি

03rd November সুন্দর মৌলিকের চিঠি

November 3, 2025
20th October পরম্পরা

20th October পরম্পরা

October 24, 2025
11th September Prochod Nibondho

11th September Prochod Nibondho

September 21, 2023
21th July বিশেষ নিবন্ধ

21th July বিশেষ নিবন্ধ

July 30, 2025

About

Follow us

Categories

  • Uncategorized
  • অতিথি কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • পরম্পরা
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • বিশেষ নিবন্ধ
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • রাজ্যপাট
  • সঙ্ঘবার্তা
  • সম্পাদকীয়
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি

Recent Posts

  • 24th November বিশেষ নিবন্ধ
  • 24th Novemberপরম্পরা
  • 24th Novemberপরম্পরা
  • 24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

© 2023 Swastika. All rights reserved.

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • রাজ্যপাট
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি
  • অতিথি কলম
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • পরম্পরা
  • ই -পত্রিকা

© 2023 Swastika. All rights reserved.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?