• About
  • Contact Us
Thursday, February 5, 2026
Swastika
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • রাজ্যপাট
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি
  • অতিথি কলম
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • পরম্পরা
  • সঙ্ঘবার্তা
  • বিশেষ নিবন্ধ
  • ই -পত্রিকা
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • রাজ্যপাট
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি
  • অতিথি কলম
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • পরম্পরা
  • সঙ্ঘবার্তা
  • বিশেষ নিবন্ধ
  • ই -পত্রিকা
No Result
View All Result
Morning News
No Result
View All Result
Home অতিথি কলম

28th April অতিথি কলম

in অতিথি কলম
28th April অতিথি কলম

Issue 77-34-28-04-2025

সঙ্ঘ শাখা অর্থাৎ সেবাযজ্ঞ
রাষ্ট্র কী? এর জ্ঞান ছাড়া রাষ্ট্রভক্তি তৈরি হতে পারে না। রাষ্ট্রভক্তির ভাবনা ব্যতিরেকে স্বার্থের অঞ্জলি দিয়ে রাষ্ট্রের জন্য পরিশ্রম করা সম্ভব নয়।
মধুভাই কুলকর্ণী
যদি কেউ আধ্যাত্মিক উন্নতির সোপানে চড়তে চায় তবে তার প্রথমটিই হলো সেবা। সেবাভাব প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যেই জন্মগত একটি বৈশিষ্ট। যিনি সেবা করে থাকেন তার তুলনা মায়ের সঙ্গে করা হয়। যদি কোনো কাজ মায়ের সেবা মনে করে করা হয় তবে তা শ্রেষ্ঠত্ব প্রাপ্ত হয়। যদি কোনো কাজ ভগবানের সেবা মনে করে করা হয় তবে সেই সেবাব্রতী সেই কাজে কেবল উৎকর্ষতা লাভ করে না বরং যে রকম আনন্দ প্রাপ্তি ঘটে তা বর্ণনা করা সম্ভব নয়। এভাবে কাজ করার কারণে অহংকার তাকে স্পর্শ করতে পারে না। প্রতিটি কাজকে ঈশ্বরীয় কাজ মনে করে করলে আমাদের মানসিক অবস্থাও ঠিক তেমনই হবে। সন্ত জ্ঞানেশ্বর মহারাজ তাঁর এক অভঙ্গে উল্লেখ করেছেন-
পরি হে মিয়া কেলে। কী হে মাঝেনি সিদ্ধী গেলে। ঐসে নাহি ঠেবিলে। বাসনেমাজী।
অর্থাৎ, ‘আমি এটা করেছি অথবা আমার কারণে এই কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে, এমন কামনা-বাসনার অহংকার যেন আমার মনে স্থান না পায়।’ আমরা আমাদের চারপাশে এমন অনেক ব্যক্তিকে দেখতে পাই, যাঁরা তাদের সম্পূর্ণ জীবন সেবা কাজের জন্য সমর্পিত করেছেন। যেমন, বঙ্গপ্রদেশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যিনি শান্তি নিকেতনের নামে শিক্ষার আদর্শ কেন্দ্র গড়ে তুলেছেন। বাবা আমটে, যিনি কুষ্ঠ রোগীদের জন্য একটি বিখ্যাত সেবাকেন্দ্র আনন্দবন গড়ে তুলেছেন। পূজ্য নারায়ণ গুরু, যিনি শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিকগুলির মাধ্যমে শোষিত, পীড়িত, বঞ্চিতদের উত্থানের জন্য কাজ করেছেন। ডাঃ ভীমরাও গম্ভী, যিনি কর্ণাটকের বেলগাভীতে একটা কেন্দ্র স্থাপন করে বেরড সমাজের বিকাশের জন্য নিজের জীবন সমর্পণ করেছেন। গুজরাটের জলারাম বাপু একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সন্ত ছিলেন। তাঁর আশ্রমে অখণ্ড ভাণ্ডারা চলে। দেশের প্রতিটি স্থানেই এমন আদর্শ আমরা দেখতে পাই। একবার ব্যক্তির মনের মধ্যে সহানুভূতি জাগ্রত হলে সে হাজারো সেবাকাজ সমাজের জন্য করতে পারে। দিব্যাঙ্গ, মানসিক প্রতিবন্ধী, উপেক্ষিত, অন্ধ, অনাথ প্রভৃতি ব্যক্তি নিজের সেবার জন্য কাউকে ডাকে না। তাদের জন্য আজ প্রচুর সংগঠনকে কাজ করতে দেখা যায়। অন্নদানকে পুণ্যকর্ম মনে করে পাঠরত ছাত্রদের জন্য কোনো রকম ভেদাভেদ না করে সকলের জন্য অন্নদানের জন্য ধর্মীয় সংস্থাও রয়েছে। গুরুদ্বারা লঙ্গরের জন্য বিখ্যাত। ছাত্রাবাস, বালক সংস্কার কেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রম, দাতব্য চিকিৎসালয় প্রভৃতি সেবার মানসিকতায় চালানো হয়।
রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের থেকে প্রেরণা নিয়ে বনবাসী কল্যাণ আশ্রম নিজের কার্যক্ষেত্র রূপে জনজাতি সমাজকে বেছে নিয়েছে। তারা অজস্র সেবাকাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদও এমনই সেবা সংগঠন। দূরদূরান্তের ছোটো ছোটো গ্রামে এক শিক্ষকের বিদ্যালয় হাজার হাজার স্থানে চলছে।
ডাক্তারজীর জন্ম শতবর্ষে অর্থাৎ ১৮৮৯ সালে সঙ্ঘ স্বাধীনভাবে একটি সেবা বিভাগ শুরু করে। তাতে অখিল ভারতীয় স্তর থেকে শুরু করে জেলা স্তর পর্যন্ত সেবা সংযোজক নিযুক্ত করা হয়। স্বয়ংসেবকদের দ্বারা চালিত সমস্ত সেবাকাজ সেবা ভারতীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গরিব দুঃখীর দুঃখ দূর করার প্রচেষ্টা একটি আবশ্যক সেবা কাজ। সন্ত তুকারাম অন্য একটি অভঙ্গে বলেছেন-
জে কা রঞ্জলে গাঞ্জলে। ত্যাসি মহণজে জো আপুলে। তোচি সাধু ওড়খাবা। দেব তেথেচি জাণাবা।
অর্থাৎ, ‘যারা পরিস্থিতি ও পার্থিব আবেগের ভারে ভারাক্রান্ত, তাদেরও যাঁরা আপনার জন বলে মনে করেন, তাঁদেরই প্রকৃত সাধু হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। ঈশ্বর সত্যিই তাঁদের মধ্যে বাস করেন।’
ভদ্রতা বা নম্রতা মানবতার প্রতীক। এমন সেবাকাজের জন্য আর্থিক সহযোগিতা সবসময়ই জুটে যায়। অখণ্ড ভাণ্ডারা বা অন্নসত্র চালানো ধর্মীয় সংস্থাগুলোর কখনো খাদ্যান্নের অভাব হয় না। এই ধরনের সেবাকাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকরা নিজেদের জন্য এক ভিন্নধর্মী বুনিয়াদি সেবাকাজ নিশ্চিত করেছে। শুধুমাত্র সংগঠিত সমাজই সফলতার সঙ্গে তার সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে পারে, এজন্যই হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হিন্দু সংগঠনের কথা বললেই কিছু লোকের ভ্রূ কুঁচকে যায়। তাহলে মুসলমানদের কী হবে, এমন চিন্তা তাদের মাথায় আসে। যেন মুসলমানদের ছাড়া হিন্দু সংগঠন অর্থহীন। এ ধরনের লোকেরা বোঝে না ‘হিন্দু সংগঠন’ শব্দের গভীরতা এবং তার ব্যাপক পরিধি। হিন্দু সংগঠন মানে (ক) পরস্পর ভ্রাতৃত্ববোধ ও প্রেমের উপর প্রতিষ্ঠিত সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাজ। (খ) সব রকমের ভেদাভেদমুক্ত সমাজ। (গ) অনৈতিকতা ও অস্পৃশ্যতামুক্ত সমাজ। (ঘ) ভ্রষ্টাচারমুক্ত চরিত্রবান সমাজ। (ঙ) সমাজকেই ঈশ্বর মনে করে এবং মানব সেবাকেই ঈশ্বরের সেবা মনে করা সমাজ।
নিঃসন্দেহে বলা যায়, হিন্দু সংগঠনের ভাবনা সময় অনুসারে বিস্তার ঘটতে থাকবে। হিন্দু সমাজকে ভারতে তথা বিশ্বে গৌরবপূর্ণ স্থান পাওয়াই উচিত। পূজনীয় ডাক্তারজী ও শ্রীগুরুজীর ব্যক্ত কিছু ভাবনাকে বোঝার চেষ্টা করলে দেখা যায়, সঙ্ঘের দ্বারা নির্ধারিত গঠনমূলক সেবাকার্য অর্থাৎ হিন্দু সংগঠনের কাজের পরিধি কত বিশাল এবং গভীরতাও কত ব্যাপক।
ডাক্তারজী বলতেন, ‘কোন দেশ কতটা মহান তা নির্ভর করে সেই দেশের অধিবাসীদের মহানতার উপর। সমগ্র রাষ্ট্রের প্রাণশক্তি এর উপরই নির্ভর করে। সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তির মনে সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবনের জন্য রুচি, আবেগ ও ইচ্ছা নির্মাণ করাই আমাদের সাধনা। এটিই আমাদের বৈশিষ্ট্য এবং এটিই আমাদের সফলতার চাবিকাঠি।
পুজনীয় শ্রীগুরুজীর মতে সমাজের জীবনীশক্তিকে বিনষ্টকারী মতভেদ ও সংঘর্ষকে দূর করে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ নির্মাণ করা আমাদের শ্রেষ্ঠ কর্তব্য। একটি সুব্যবস্থিত সমাজই অজ্ঞানতা ও দারিদ্র্য দূরীকরণে সমর্থ। সেকারণে আমরা এমন ব্যক্তি যারা স্বদেশ প্রেমে ভরপুর, পরস্পরের সুখে-দুঃখে সহানুভূতি সম্পন্ন, সকলের সঙ্গে আন্তরিকতা ও আত্মীয়তার ভাব রাখেন এবং পরস্পর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন তাঁদের চয়ন করা আমাদের কাজ ও কর্তব্য। আমাদের কাছে এই ভূমির চেয়ে পবিত্র আর কিছুই নেই। এই ভূমির প্রতিটি ধূলিকণা, প্রতিটি জড় ও চেতন বস্তু, প্রতিটি পাথর, প্রতিটি কাঠ, প্রতিটি বৃক্ষ ও নদী আমাদের কাছে পবিত্র। এই ভূমির প্রতিটি ব্যক্তির মনে তীব্র দেশভক্তি সর্বদা বিরাজ করুক এমনটাই সঙ্ঘ চায়। তিনি বলতেন, আসুন, আমরা আমাদের জীবনশৈলীর পথ কেবল আমাদের পূর্বপুরুষদের দ্বারা আবিষ্কৃত এবং বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা ও ইতিহাসের দ্বারা পরীক্ষিত শাশ্বত সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত করি।
সঙ্ঘ শাখা সর্বদাই এই চেষ্টাই করে থাকে যে, ভাবনা যেন কেবল ভাবনাই না থাকে, সেই মতো যেন আচরণও করা হয়। সঙ্ঘ শাখা চালানো একটি স্বতন্ত্র মহৎ সেবাকাজ। এটিই বাকি সমস্ত সেবাকাজের আধারভূত সেবা কাজ, একটি অভিনব ও ব্যাপক সৃজনশীল কাজ। সঙ্ঘ মনে করে মুখ্যশিক্ষকের দক্ষতা অর্জন করে প্রতিদিন তিন-চারঘণ্টা সময় দিয়ে একটি ভালো শাখা দাঁড় করানো খুব বড়ো মাপের দেশসেবা। এটি শান্তিশৃঙ্খলার সঙ্গে নিয়মিত চলা কাজ। এতে প্রচার করার মতো কিছুই নেই। এই ভারতে হিন্দু সমাজে আমাদের জন্ম হয়েছে এটা আমাদের সৌভাগ্যের। হিন্দু সমাজ দোষমুক্ত, সংগঠিত, পূর্ণরূপে সক্ষম, বৈভবশালী হোক, তার জন্য চেষ্টা করা আমাদের কর্তব্য। এই ভাবনাতেই মুখ্যশিক্ষক ও তার সহযোগীরা কাজ করেন। কোনো ফুলের মালা নয়, কোনো পুরস্কার নয়, শুধুমাত্র যজ্ঞের আহুতির মতো উৎসর্গ। বর্তমানে সারা দেশে ৮০ হাজার শাখা চলছে। এই কাজ দাঁড় করাতে অগণিত কার্যকর্তা নিজের বহু সময় সমর্পণ করেছেন।
ডাক্তারজী সঙ্ঘশাখা বিস্তার করার জন্য নিজের সম্পূর্ণ জীবন আহুতি দিয়েছেন। তিনি শিশু-বালকদেরও বাড়ি বাড়ি যেতেন। যদি তাঁকে কেউ জিজ্ঞাসা করতেন, ডাক্তারজী কোথায় গেছিলেন? উত্তরে তিনি বলতেন, ‘আমি ঈশ্বর দর্শন করতে গেছিলাম।’ সঙ্ঘস্থান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, তাতে রেখাঙ্কন করা, এটাও ঈশ্বরের কাজ। ১৯৪০ সালে সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গের সমাপণ অনুষ্ঠানে ডাক্তারজীর ভাষণ ছিল তাঁর শেষ ভাষণ। তিনি বলেছিলেন, আমি নাগপুরে থাকা সত্ত্বেও অসুস্থতার কারণে আপনাদের কোনো সেবা করতে পারিনি। পুনের সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গে প্রত্যেক স্বয়ংসেবকের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছিল। পরিচয় করাও সমাজ রূপী পরমেশ্বরের সেবা।’
নাগপুরে মোহিতেওয়াড়া সঙ্ঘস্থানের শাখা ডাক্তারজী ১৯২৫-২৬ সালে শুরু করেন। এখন ২০২৫ সাল। বিগত ১০০ বছরে শাখাগুলি চালিয়ে যেতে কত মুখ্যশিক্ষক তাদের ঘাম ঝরিয়েছে, তার কেউ হিসাব রাখেনি। শাখার অর্থই হলো নিরবচ্ছিন্ন চলতে থাকা সেবাযজ্ঞ। সেবা হ্যায় যজ্ঞ কুণ্ড, সমিধা সম হম জ্বলে-সেবাই হলো যজ্ঞকুণ্ড তাতে আমরা সমিধ রূপে জ্বলতে থাকি। কবিতার এই পঙ্ক্তি সারা দেশের স্বয়ংসেবকদের মুখেই শোনা যায়।
ডাক্তারজী শাখার তুলনা ‘পাওয়ার হাউস’-এর সঙ্গে করতেন। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ‘পাওয়ার হাউস’ পরিচালনাকারীরা নিজের কাজ ছেড়ে কখনোই যেতে পারেন না। সঙ্ঘ শুরুর পর ডাক্তারজী অন্যান্য সমস্ত কাজ ছেড়ে দেন। শ্রীগুরুজী সঙ্ঘ শাখাকে কল্পবৃক্ষ বলতেন। তিনি বলতেন, ‘তার ছায়াতে বসো, সবকিছু পাবে। দেশের কোণায় কোণায় সঙ্ঘের শাখা পৌঁছাও, সফলতাই সফলতা দেখতে পাবে।’
তৃতীয় সরসঙ্ঘচালক বালাসাহেব দেওরস শাখার বর্ণনা এভাবে করতেন, ‘সঙ্ঘ শাখা কেবলমাত্র খেলাধুলা বা ব্যায়াম করার স্থান নয়। এটি সজ্জনদের সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি; যুবকদের নেশামুক্ত রাখার সংস্কারপীঠ; সমাজের উপর আগত আকস্মিক বিপত্তি বা সংকটে দ্রুত ও পক্ষপাতহীন সহায়তা দানের আশাকেন্দ্র: মহিলাদের নির্ভয়তা ও সুসভ্য আচরণ প্রাপ্তির আশ্বাসস্থল; দুষ্ট ও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির উপর নিজ প্রভাব স্থাপনকারী শক্তি। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো সমাজজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাতে সুযোগ্য কর্মী ও কার্যকর্তা পাওয়া যায়, তার প্রশিক্ষণদানকারী বিদ্যাপীঠ হলো সঙ্ঘশাখা।’
পূজনীয় শ্রীগুরুজী বলতেন, বিশুদ্ধ ‘রাষ্ট্রভক্তির ভাবনার ভিত্তিতে ভেদাভেদ ভুলে সংগঠিত, তেজস্বী ও প্রভাবশালী সমাজজীবন নির্মাণ করার মহান কাজ আমরা হাতে নিয়েছি। রাষ্ট্র কী? এর জ্ঞান ছাড়া রাষ্ট্রভক্তি তৈরি হতে পারে না। রাষ্ট্রভক্তির ভাবনা ব্যতিরেকে স্বার্থের অঞ্জলি দিয়ে রাষ্ট্রের জন্য পরিশ্রম করা সম্ভব নয়। এজন্য বিশুদ্ধ রাষ্ট্রভাবনায় ভরপুর, শ্রদ্ধাযুক্ত ও পরিশ্রমী মানুষদের একসূত্রে বাঁধা, এক প্রবৃত্তির মানুষদের পরম্পরা নির্মাণকারী সংগঠন দাঁড় করানো এবং এই সংগঠনের শক্তিতে রাষ্ট্রীয় জীবনের সমস্ত দোষ নির্মূল করার প্রচেষ্টা করা একটি গঠনমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এই কাজ এই বিষয়ের উপর নির্ভর করে না যে আমরা আমাদের অজস্র দৈনন্দিন সমস্যাকে কীভাবে সমাধান করি? সমাজের সমস্ত বিভেদ নির্মূল করে রাষ্ট্রভাবনায় ওতপ্রোত একাত্ম সমাজ জীবন নির্মাণ করা হলে অনেক নিত্য ও তাৎকালিক সমস্যার সহজেই সমাধান হতে পারে।’ স্পষ্ট যে, এই কল্পনা এমন নয় যা কিছুদিন বা কয়েক বছরের মধ্যেই সম্পূর্ণ করা যেতে পারে। এই লক্ষ্য পূর্তির জন্য হাজার হাজার জীবন প্রয়োজন, যারা শান্তির সঙ্গে নিরলস প্রচেষ্টা করে চলবে।

READ ALSO

10th November অতিথি কলম

10th November অতিথি কলম

November 11, 2025
03rd November অতিথি কলম

03rd November অতিথি কলম

November 3, 2025
ShareTweetShare

Related Posts

10th November অতিথি কলম
অতিথি কলম

10th November অতিথি কলম

November 11, 2025
03rd November অতিথি কলম
অতিথি কলম

03rd November অতিথি কলম

November 3, 2025
27th October অতিথি কলম
অতিথি কলম

27th October অতিথি কলম

October 28, 2025
20th October অতিথি কলম
অতিথি কলম

20th October অতিথি কলম

October 23, 2025
29th September অতিথি কলম
অতিথি কলম

29th September অতিথি কলম

October 7, 2025
08th September অতিথি কলম
অতিথি কলম

08th September অতিথি কলম

September 11, 2025

POPULAR NEWS

4th September 2023 Rajjopat

4th September 2023 Rajjopat

September 21, 2023
৩৫০ বছর পর দেশে ফিরছে শিবাজীর বাঘনখ

৩৫০ বছর পর দেশে ফিরছে শিবাজীর বাঘনখ

October 2, 2023
কেশব ভবনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী হানা

কেশব ভবনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী হানা

October 4, 2023
2nd October 2023 Parampara

2nd October 2023 Parampara

October 1, 2023
4th September Angana

4th September Angana

September 21, 2023

EDITOR'S PICK

11th September 2023 Rajjopat

11th September 2023 Rajjopat

September 21, 2023
27th October বিশেষ নিবন্ধ

27th October বিশেষ নিবন্ধ

October 30, 2025
29th September প্রচ্ছদ নিবন্ধ

29th September প্রচ্ছদ নিবন্ধ

October 8, 2025
23rd June পরম্পরা

23rd June পরম্পরা

June 24, 2025

About

Follow us

Categories

  • Uncategorized
  • অতিথি কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • পরম্পরা
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • বিশেষ নিবন্ধ
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • রাজ্যপাট
  • সঙ্ঘবার্তা
  • সম্পাদকীয়
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি

Recent Posts

  • 24th November বিশেষ নিবন্ধ
  • 24th Novemberপরম্পরা
  • 24th Novemberপরম্পরা
  • 24th November প্রচ্ছদ নিবন্ধ

© 2023 Swastika. All rights reserved.

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • রাজ্যপাট
  • সুন্দর মৌলিকের চিঠি
  • অতিথি কলম
  • বিশ্বামিত্রের কলম
  • উত্তর সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ নিবন্ধ
  • পরম্পরা
  • ই -পত্রিকা

© 2023 Swastika. All rights reserved.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?